এই যুদ্ধ থামুক, শিশুরা খেলা করুক মাঠে; জয়া আহসান

ফজলে এলাহিঃ

সম্প্রতি ইজরায়েল ফিলিস্তিন ইস্যু তে বিবেকের কাঠগড়ায় পুরো বিশ্ব,প্রতিনিয়ত ধ্বংস স্তুপের নিচে চাপা পড়ছে মানবতা,যেখানে বিশ্বের বড় বড় দেশ নিশ্চুপ সেখানে বিবেকের শেকল থেকে মুক্তি পেতে মুখ খুলে ফিলিস্তিনের পক্ষে ছোট্ট শিশুদের পক্ষে নিজের আবেগ সমর্থন প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় তারকা জয়া আহসান।

বুধবার সকাল ১০ টায় এক ফেসবুক পোস্টে তার অনুভূতি প্রকাশ করেন ঠিক এই ভাবে, পাঠকের সুবিধার্থে পোস্টটি হুবুহু তুলে ধরা হলো! ফিলিস্তিনের ছবি দেখছি খবরের কাগজে, টেলিভিশনের পর্দায়। দেখছি আর নরকের অতলে নেমে যাচ্ছি মনে হয়। ভেঙে ঝুরঝুরে হয়ে যাওয়া বাড়িঘর। তার ওপরে ভাসছে পাক খাওয়া আগুন। আর সারিবাঁধা তরতাজা লাশ। একটু আগেই তারা হাসছিল, খাচ্ছিল, শিশুটি নিচ্ছিল মায়ের আদর। যারা বেঁচে আছে, তারা রক্তমাখা। আগুনের লেলিহান শিখার নিচে ছুটোছুটি করছে। নিজের জীবন বাঁচাতে নয়। ধংসস্তুপের ঝাঁঝরা ইঁট সরিয়ে সরিয়ে তারা বের করে আনছে চাপা পড়ে থাকা শিশুদের। ওই কচি বাচ্চাগুলো ডুবে ছিল আলো–বাতাসহীন বিভীষিকার তলায়। একটি শিশুকে উদ্ধার করা হলো, ওর পুরো পরিবার পাঁচ মিনিট আগেও মমতায় ঘিরে রেখেছিল ওকে। পৃথিবীতে এখন সে একেবারে একা। ছোট্ট একট খুকি। এখনই তার পরিবার নেই, দেশ তো ছিলই না।

খবরের কাগজে পড়লাম, গত এক সপ্তাহে ইজরায়েলের নির্মম হামলায় ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। এর চার ভাগের এক ভাগেরও বেশি নাকি শিশু। এ কোন নরক এই পৃথিবীতে! তাদের অসহায়তা আর হাহাকারে কণ্ঠ বুঁজে আসে। এই যুদ্ধ থামুক। শিশুরা খেলা করুক রোদেলা মাঠে, খেজুর গাছের নিচে। নিজের দেশে দেশছাড়া এই মানুষগুলো নিজেদের এক চিলতে ঘরে ফিরুক। এক জীবনে কি এটা খুব বড় প্রত্যাশা?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *